A SECRET WEAPON FOR স্ট্রবেরি চাষ

A Secret Weapon For স্ট্রবেরি চাষ

A Secret Weapon For স্ট্রবেরি চাষ

Blog Article

Strawberry cultivation in India has gained level of popularity in recent times because of rising demand from customers for this delightful fruit.

আরও পড়ুন: নবম শ্রেণির ছাত্রী ‘বীরঙ্গনা’, রাজশ্রীর জন্য বেঁচে গিয়েছে ওরা

আমের মুকুল ঝরা রোধে অবশ্যই এই কাজগুলো করতে হবে

ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন ভোলার কৃষকরা

By checking this box, you ensure you have go through and are agreeing to our terms of use concerning the storage of the information submitted via this form.

ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, কারিপাতা, পালংশাক, পুঁইশাকও বাড়িতে সহজেই ফলানো সম্ভব। বাজার থেকে গোড়াসমেত পুদিনা কিনে এনে মাটিতে লাগালেই গাছ হয়।

- আগাছা দমন করতে, আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং মাটির সাথে সরাসরি যোগাযোগ থেকে স্ট্রবেরিকে রক্ষা করতে গাছের চারপাশে খড় বা মাল্চের একটি স্তর প্রয়োগ করুন।

Strawberry has become the highly successful cash crops n portions of India. It can be developed in parts of India exactly where weather conditions and soil situations are ideal. With various climatic disorders in India, farmers can’t cultivate strawberry all over India but you'll find pick out locations in which strawberry thrives.

ফুল জাতীয় : গোলাপ, বেলী, টগর, জুঁই, গন্ধরাজ, জবা, টিকোমা, জারবেরা, বাগান বিলাস ও বিভিন্ন মৌসুমি ফুল।

বিদেশি ভেজ স্যাটে,পাতি বাঙালি সবজি দিয়েই তৈরি হবে বাড়িতে,যেমন উপকার তেমন স্বাদ

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম ট্রেনে ১ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে। পর্যায়ক্রমে আমদানি করা বাকি পেঁয়াজও দেশে আসবে।’

স্ট্রবেরি অনেক কঠিন অবস্থায়ও টিকে থাকে। কিন্তু ফল গঠনের সময়, আর্দ্রতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যদি কন্টেইনারে উৎপাদন করা হয়। উপরন্তু, পাকা ফলকে আক্রমণ কারী স্লাগ এবং শামুক থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আবশ্যক। ফল গ্রীষ্মকালে পরিপক্ক (বন্য জাত আগে পরিপক্ক হতে পারে) এবং যখন পুরোপুরি পাকা হয় তখন তোলা উচিত - অর্থাৎ ফল একটি অভিন্ন উজ্জ্বল লাল রঙের হলে তোলা উচিত। জাত নির্বাচন উৎপাদন মৌসুমকে আগে বা পরের দিকে পরিবর্তন করতে পারে।[৩২] ভোগের জন্য এবং প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে অসংখ্য চাষ পদ্ধতি বেছে নেওয়া যেতে পারে। নিম্নের চাষিরা রয়াল হর্টিকালচার সোসাইটি কর্তৃক অ্যাওয়ার্ড অব গার্ডেন মেরিট অর্জন করেছেন-

বর্তমানে খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের দাম আরও কমে প্রতি কেজি মেহেরপুরের পেঁয়াজ মানভেদে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, ফরিদপুরের মানভেদে ৪২ থেকে ৪৮ টাকা ও চোরাই পথে আসা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। অন্যদিকে প্রতি কেজি চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪৭ টাকায়। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৭০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ টাকা ও চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। 

এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ঢাকা here শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ জায়গায় কংক্রিটের কাঠামো আছে, যা মূলত শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে৷ অধিক জনসংখ্যা, অতিরিক্ত নগরায়ন, যানবাহন, জলাধার ও গাছপালা কমে যাওয়ার কারণে ঢাকার পরিবেশ দূষণ বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অনেক বেশি৷ ১৯৮৯ সালে ঢাকা শহরের গাছপালার পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা ধীরে ধীরে কমে ১৯৯৯ ও ২০০৯ সালে যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশে নেমে এসেছে৷ অন্যদিকে ১৯৮৯ সালে ঢাকা শহরের বাৎসরিক গড় তাপমাত্রা ছিল ১৮ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০০৯ সালে বেড়ে হয়েছে ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

Report this page